এই যে আমরা রোজ এক পা এক পা করে এগোচ্ছি প্রযুক্তির দিকে,আধুনিকতার দিকে,আলোর দিকে.. তেমনি কখন ও পরিস্থিতির কারনে পা গুটিয়ে নিতে হচ্ছে অন্ধকারের দিকে, কুসংস্কারের দিকে, গোঁড়ামির দিকে। 'তোমরা এত ছেলে বন্ধু দের সাথে ঘনিষ্ঠ ভাবে মিশবে না!, ফিরতে বেশী রাত করবে না ' ...
এসবের জন্য অনেক সময় আমরা বাবা মা কে আনসোশ্যাল, রুড, 'একটুও স্বাধীনতা নেই আমার ' ইত্যাদি ভেবে থাকি। কিন্তু কখনও ভেবেছি কি তাদের এসব বারণের পিছনে কারন কি!! বর্তমান পরিস্থিতি... আমরা ও (যুবক - যুবতী রা) যে এসব বিষয়ে খুব একটা অনভিজ্ঞ তা না! কিন্তু তাঁদের কিছুতেই বোঝাতে পারি না যে আমরা যে সব সার্কেলে থাকি সেগুলো তেমন না! কিন্তু আজ প্রতিদিন বাইরের জগতে বেরিয়ে আমি দেখি শুধু জঞ্জাল নয়,সেই জঞ্জালের আশেপাশে কিছু ফুল গাছ ও আছে।এরা বিপদে হাত বাড়ায়,এদের সহানুভূতি আছে এবং সবচেয়ে বড় এরা মানুষ কে মানুষ বলে ভাবে।আমি রোজের মধ্যে এরকম মানুষ পাই,ভিড়ের মধ্যে এই হাত গুলোকে খুঁজে চলি।আমি নিজের জীবিত সন্তানের ছোট্ট ভুলের জন্য কক্ষনো মুখ না দেখা,তাকে প্রায় মৃত ভেবে নেওয়া মানুষ দেখেছি,
আবার নিজের মৃত সন্তানের জন্মদিনে প্রত্যেক বছর গরীব অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়ানো মানুষ ও আমি দেখেছি।তাই এসব অমলিন দৃষ্টান্ত দিয়ে আমি শুধু আমার বাবা মা ই নয় সমাজের আর ও যারা আছেন তাদের কে দেখাতে চাই,এবং সমস্ত মানুষের মন কে কিছুটা হলেও মানবিক করতে চাই।তবে হয়তো আমাদের বাবা-মায়ের চিন্তা কিছুটা কমবে!! তারা শান্তিতেই তাঁদের সন্তান সন্ততি দের সত্যিকারের স্বাধীনতা দিতে পারবেন।কিন্তু এরপরের দ্বায়িত্ব হবে আমাদের, আমরা যেন সেই স্বাধীনতা কে স্বেচ্ছাচার না বানিয়ে ফেলি!!
এসবের জন্য অনেক সময় আমরা বাবা মা কে আনসোশ্যাল, রুড, 'একটুও স্বাধীনতা নেই আমার ' ইত্যাদি ভেবে থাকি। কিন্তু কখনও ভেবেছি কি তাদের এসব বারণের পিছনে কারন কি!! বর্তমান পরিস্থিতি... আমরা ও (যুবক - যুবতী রা) যে এসব বিষয়ে খুব একটা অনভিজ্ঞ তা না! কিন্তু তাঁদের কিছুতেই বোঝাতে পারি না যে আমরা যে সব সার্কেলে থাকি সেগুলো তেমন না! কিন্তু আজ প্রতিদিন বাইরের জগতে বেরিয়ে আমি দেখি শুধু জঞ্জাল নয়,সেই জঞ্জালের আশেপাশে কিছু ফুল গাছ ও আছে।এরা বিপদে হাত বাড়ায়,এদের সহানুভূতি আছে এবং সবচেয়ে বড় এরা মানুষ কে মানুষ বলে ভাবে।আমি রোজের মধ্যে এরকম মানুষ পাই,ভিড়ের মধ্যে এই হাত গুলোকে খুঁজে চলি।আমি নিজের জীবিত সন্তানের ছোট্ট ভুলের জন্য কক্ষনো মুখ না দেখা,তাকে প্রায় মৃত ভেবে নেওয়া মানুষ দেখেছি,
আবার নিজের মৃত সন্তানের জন্মদিনে প্রত্যেক বছর গরীব অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়ানো মানুষ ও আমি দেখেছি।তাই এসব অমলিন দৃষ্টান্ত দিয়ে আমি শুধু আমার বাবা মা ই নয় সমাজের আর ও যারা আছেন তাদের কে দেখাতে চাই,এবং সমস্ত মানুষের মন কে কিছুটা হলেও মানবিক করতে চাই।তবে হয়তো আমাদের বাবা-মায়ের চিন্তা কিছুটা কমবে!! তারা শান্তিতেই তাঁদের সন্তান সন্ততি দের সত্যিকারের স্বাধীনতা দিতে পারবেন।কিন্তু এরপরের দ্বায়িত্ব হবে আমাদের, আমরা যেন সেই স্বাধীনতা কে স্বেচ্ছাচার না বানিয়ে ফেলি!!
কিন্তু আজ প্রতিদিন বাইরের জগতে বেরিয়ে আমি দেখি শুধু জঞ্জাল নয়,সেই জঞ্জালের আশেপাশে কিছু ফুল গাছ ও আছে।এরা বিপদে হাত বাড়ায়,এদের সহানুভূতি আছে এবং সবচেয়ে বড় এরা মানুষ কে মানুষ বলে ভাবে।আমি রোজের মধ্যে এরকম মানুষ পাই,ভিড়ের মধ্যে এই হাত গুলোকে খুঁজে চলি।♥
ReplyDeleteসেই হাতগুলো না এলে কি জীবন ব্যর্থ?
Deleteএই হাতগুলো আমাদের জীবনে ভালো কিছু করার উৎসাহ জোগায়,তবে না এলে ব্যর্থ নই...সেক্ষেত্রে আমাদের কে সেই হাতগুলি হতে হবে,আমরা ও যাতে এভাবে আরো মানুষ যারা ভয়ে বা উৎসাহের প্রতিকূলতায় পিছিয়ে থাকেন তাদের অনুপ্রেরণা হতে পারি সেই চেষ্টা করতে হবে।
Deleteপ্রযুক্তির দিকে,আধুনিকতার দিকে আমরা কেউই এগোচ্ছি না। আমরা প্রযুক্তির জাঁতাকলে পড়ে আধুনিক হওয়ার চেষ্টাই আশেপাশের মানুষ জনকে ভুলে যাচ্ছি। সবকিছু ভেবে দেখলে বোঝা যাবে আমরা নিজেরাই নিজেদেরকে সবকিছু থেকে গুটিয়ে কমিউনিকেশন গ্যাপ তৈরি করে বন্ধু খুঁজছি।
ReplyDeleteএকদমই তাই।তবে হাল ছাড়লেও হবে না,মানুষ কে বোঝাতে হবে ভার্চুয়ালি কানেক্ট থাকার চেয়ে এক বিকেল মাঠে গল্প করা.. এর গুরুত্ব বোঝাতে হবে।তবেই তো আসল বন্ধুত্ব বাড়বে.. তবেই আমরা ফোনের ওপাশের গলা এক কথাতেই চিনতে পারব,সত্যিকারের ভালো লাগা মন্দ লাগা গুলো বুঝব।
Delete