Wednesday, January 3

দ্য হ্যাপি দ্য নিউ দ্য ইয়ার

সদ্য পরীক্ষা শেষ হয়েছে। চাদরের কিছু ছোট বড়ো কাজ সেরে, একটু ক্লান্তি নিয়ে বাড়ি ফিরেছি। এদিকে নতুন ইংরাজি বছর গৃহপ্রবেশ করার জন্য অপেক্ষা করছে।মরার উপর খাড়া ব্লগ লিখতে হবে, কিন্তু বিষয় ঠিক করতে পারছি না। অন্যদিকে গ্রূপে নতুন বছরের প্রতিজ্ঞা প্রস্তুতি শুরু হয়েগেছে, আমিও কিছু প্রতিজ্ঞা নিচ্ছি মনে মনে কিন্তু গ্রূপে বলতে ভয় পাচ্ছি । যদি রাখতে না পারি। কিন্তু আমি যে আরোও কিছু ভাবনাচক্রের আসরে প্রতিজ্ঞা নিয়েছিলাম, সেটা আমাকে আমার নিজস্বতার অনুভূতি মনে করিয়ে দিচ্ছে । তাই আমি গ্রূপে না বলা কথা ব্লগে বলতে চাই এই ভেবে লিখবো ভাবছি। আমি নতুন বছরে আর মন রাখা কথা বলবো না আর মন রাখা কোনো কাজ আমি করবো না , যদিও আমি মন রাখা কথা কম বলি কিন্তু বলি না বললে মিথ্যা বলা হবে। তাই শুরু করলাম সকাল থেকেই ,মন না রাখা কথার প্রথম শিকার অপ্রত্যাশিত ভাবে বাবা। বাবা প্রতিদিনের মতোই একটু জোর আওয়াজে বাংলা পচনশীল রাজনীতির খবর শুনছিলো, আমি আওয়াজ কম করার জন্য বলতেই, বক্রদৃষ্টি।মোবাইলে ডাটা অন করতেই নতুন বছরের শুভেচ্ছার শেষ নেই,ফোনে শখানেক অধিক বার্তা। কোনোটাই ছাপ ফেলার মতো নয়,তাই সবগুলোর ষষ্ঠী পুজো করলাম।দিন শেষের দিকে, সন্ধ্যায় মুড়ি খাবো ভাবছি, কিন্তু মুড়িতে অপ্রত্যাশিত ভাবে চপ। তাই কোনো বিলম্ব না করে বেগুনি করার অনুরোধ প্রত্যাশিত ভাবে খারিজ এবং এখন কিন্তু প্রত্যাশিত ভাবে আমার প্রতিজ্ঞার শিকার মা। মৃদু উষ্ণ কথা,আমার বেগুনির আর্জি গ্রহণ এবং আমার সপক্ষে সর্ব্বোচ্চ আদালতের রায়। কিন্তু রাতের খাবারের সময় আমি কিছু আসা না করলেও বাবা আমাকে কাঠখোট্টা বলে অভিহিত করলো। আমি চরম শান্তির অনুভূতি নিয়ে বছরের প্রথম দিন শেষ করলাম।

1 comment:

ক্রাইসিস টু হ্যাপিনেস

ক্রাইসিস মানে সংকট। আমাদের যাপিত জীবনে সংকটেরতো অভাব নেই, এবার এই সংকটগুলো সবচেয়ে বেশি কাদের হচ্ছে? জানি আমাদের মানে এই প্রজন্মেরই। প্রশ্ন ...